মনে রাখবেন, ব্যর্থ ব্যক্তিরা সব সময় যুক্তি দেখাতে চায়।
প্রতিভা এমন একটা বিষয় যাকে চেপে রাখা যায় না। আপনি যদি
প্রতিভা অর্জন করতে পারেন আপনার বস তো দুরের কথা, কারোর সাধ্য নেই আপনাকে আটকে রাখার।
****১*** আপনাকে যদি আপনার বস বাড়তি কাজ না দেয়া তবে আপনার উপরে উঠা সম্ভব নয়। আপনাকে বাড়তি কাজ দেয়া হলে ভেবে নিবেন আপনার উপরে উঠার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আপনার বস আপনাকে সুযোগ দিচ্ছে এর অর্থ আপনি উপরে উঠার সিঁড়ি দেখতে পাচ্ছেন মাত্র।
**২** যদি কেউ প্রতি মুহূর্তে প্রতিদানের চিন্তা করে তাহলে তার সেই সব স্থানে কাজ করা উচিত। যেখানে এইসব সুযোগ রয়েছে। যেমন মুদি দোকানের কর্মচারী, হোটেল/রেস্টুরেন্টের বয়, ক্লিনার, দিনমজুর, ডাক্তার, উকিল, সিকিউরিটি গার্ড ইত্যাদি। সেখানে প্রতিদিনের হিসাব প্রতিদিন দেয়া/নেয়া হয়।
আপনি কেন চিন্তা করতে পারেন না যে আপনার প্রাপ্য প্রতিদান আপনার জন্য ব্যাঙ্কে জমা রাখা হোল। আপনি সফল ভাবে কোন কাজ শেষ করে কেন চিন্তা করতে পারেন না। আপনি যে অভিজ্ঞতা টুকু অর্জন করেছেন তা কোটি টাকা দিয়েও হয়ত অর্জন করতে পারতেন না। অভিজ্ঞতার অনেক মুল্য। আপনি অভিজ্ঞতার ঝুলি তৈরি করুন। এই অভিজ্ঞতার ঝুলি এক সময় আপনাকে পৌঁছে দিবে সফলাতার স্বর্ণ শিখরে।
**৩** বস-কর্মীর মধ্যে সু-সম্পর্ক তৈরি হয় কর্মীর কাজের রেজাল্ট এর উপর। আপনি কাজ না করে আমলা তান্ত্রিক জটিলতা তৈরি করবেন, আর বস এসে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করবে আর বলবে ওয়েল ডান... ওয়েল ডান...মাই বয়... তোমার বাপ-দাদার নাম রেখেছ। তাহলে কি আপনি খুশি হতেন? নিশ্চয়ই আপনার কোন ভুল বসের চোখে ধরা পড়েছে। বসকে আপনি যত বোকা ভাবছেন সে আসলে অতো বোকা নাও হতে পারে। বসকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করুন আপনার ভুল গুল সুধরে দিতে।
আপনার বস আপনার মত ২০/৩০ জন লোক কে নিয়ন্ত্রন করে। আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে সে অনেক কিছুই ক্যাল্কুলেট করে নিতে পারে। মুল কথা হচ্ছে হালের আগে হাটার অভ্যাস পরিহার করুন। আপনার বস কি বলতে চায় আগে শুনুন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন। সে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে অবসরে তার সাথে বসে আলোচনা করুন। আপনার মতামত দিন। আপনার কাজ বসকে সহযোগিতা করা। বসের ভুল ধরা আপনার কাজ নয়। বস আপনার ভুল ধরবে। আপনি বসের ভুল ধরার জন্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। বস-ই এক সময় আপনাকে ডেকে পরামর্শ চাইবে। সহযোগিতা চাইবে। সে পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।
***৪*** বস যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তাকে ধন্যবাদ দিন। প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হলে আপনাকে বোঝা উচিত। আপনার বসও কারো না কারো কাছে দায় বদ্ধ। এমনও হতে পারে সে আপনার কাছে লজ্জিত। তাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না। বলুন বস, “আপনি আমার জন্য চেস্টা করেছেন সফল হননি আশাকরি আগামীতে সফল হবেন”। অবশ্যই আপনার বস আপনাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার প্রতি যত্নবান হবেন। কখনোই হাল ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না।
***৫*** আপনার চোখে ভুল মানুষকে প্রোমোশন দেয়া হলে ভুলটা তো আপনারই। কারন, আপনি যোগ্য প্রাথী হয়েও নিজেকে বসের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন নি। আপনিই আপনার যোগ্যতা কে অবমূল্যায়ন করেছেন। এখানে বসকে দোষ দিয়ে লাভ কি। নিজের ভুল গুলো খুজে তা সংশোধন করে আগামীর জন্য প্রস্তুতি নিন এবং ভুল গুলো এমন জায়গায় লিখে রাখুন যাতে সব সময় আপনি সেগুলো দেখতে পান এবং তা থেকে শিক্ষা নিন।
***৬*** আপনি নিজেই পরিবেশ কে বিসক্ত করে তোলেন। অনেক রকম ভ্রান্ত ধারনা আর চাওয়া-পাওয়া নিয়ে আপনি আপনার বসকে বিরক্ত করেন। আপনার বসের অধিনে তো আপনি একা নন। সে যদি আপনার মত সবার পছন্দ কে মুল্য দিতে চান তাহলে তো প্রতিষ্ঠানের ১২ টা বাজবে। সুতরাং বসকে তার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে দিন। এবং তাকে সহযোগিতা করুন।
***৭*** একটা কলশি যদি পানিতে পরিপুরন থাকে আর তলায় সামান্য ছিদ্র থাকে, কিছু সময় পর কলশী কিন্তু খালি হয়ে যাবে। সুতরাং বসের সাথে আপনার দূরত্ব কমিয়ে ফেলুন। মনোযোগ দিয়ে কাজ করুণ। সেনসিটিভ বিসয় গুলি বসের পরামর্শ নিয়ে সমাধান করুণ। সপ্তাহে অন্তত ১ বার হলেও বসের সাহায্য নিন। সময় মত বসকে আপনার কাজের রিপোর্ট দিন।
***৮/৯*** পিপড়া থেকে শুরু করে বিশাল দেহের হাতি পর্যন্ত সবাইকে খাদ্য খোঁজার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। বিশাল দেহের অধিকারী হাতির যে পরিমান পরিশ্রম করতে হয় পিপড়ারও কিন্তু একই রকম পরিশ্রম করতে হয়।
আপনার বস আপনাকে আজীবন আদুভাই হিসাবে দেখতে চান না। তাই আপনার কাজের সংখ্যা/পরিমান প্রতি বছর পাড়তে থাকে। আপনাকে প্রেসার দেয়ে হয় আপনার উন্নতির জন্য। আপনি অযথা ভুল বুঝে নিজের ক্ষতি নিজে করছেন।
আপনার প্রতিপক্ষ থেকে আপনি সর্বদা সাবধান হোন। আপনি রেগে যান, বিরক্ত হন, বসের সাথে ঝগড়া করেন এটাই কিন্তু তারা চায়। আপনার বিতর্কিত করে তারা আনন্দ পায়, মজা পায়।
****১*** আপনাকে যদি আপনার বস বাড়তি কাজ না দেয়া তবে আপনার উপরে উঠা সম্ভব নয়। আপনাকে বাড়তি কাজ দেয়া হলে ভেবে নিবেন আপনার উপরে উঠার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আপনার বস আপনাকে সুযোগ দিচ্ছে এর অর্থ আপনি উপরে উঠার সিঁড়ি দেখতে পাচ্ছেন মাত্র।
**২** যদি কেউ প্রতি মুহূর্তে প্রতিদানের চিন্তা করে তাহলে তার সেই সব স্থানে কাজ করা উচিত। যেখানে এইসব সুযোগ রয়েছে। যেমন মুদি দোকানের কর্মচারী, হোটেল/রেস্টুরেন্টের বয়, ক্লিনার, দিনমজুর, ডাক্তার, উকিল, সিকিউরিটি গার্ড ইত্যাদি। সেখানে প্রতিদিনের হিসাব প্রতিদিন দেয়া/নেয়া হয়।
আপনি কেন চিন্তা করতে পারেন না যে আপনার প্রাপ্য প্রতিদান আপনার জন্য ব্যাঙ্কে জমা রাখা হোল। আপনি সফল ভাবে কোন কাজ শেষ করে কেন চিন্তা করতে পারেন না। আপনি যে অভিজ্ঞতা টুকু অর্জন করেছেন তা কোটি টাকা দিয়েও হয়ত অর্জন করতে পারতেন না। অভিজ্ঞতার অনেক মুল্য। আপনি অভিজ্ঞতার ঝুলি তৈরি করুন। এই অভিজ্ঞতার ঝুলি এক সময় আপনাকে পৌঁছে দিবে সফলাতার স্বর্ণ শিখরে।
**৩** বস-কর্মীর মধ্যে সু-সম্পর্ক তৈরি হয় কর্মীর কাজের রেজাল্ট এর উপর। আপনি কাজ না করে আমলা তান্ত্রিক জটিলতা তৈরি করবেন, আর বস এসে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করবে আর বলবে ওয়েল ডান... ওয়েল ডান...মাই বয়... তোমার বাপ-দাদার নাম রেখেছ। তাহলে কি আপনি খুশি হতেন? নিশ্চয়ই আপনার কোন ভুল বসের চোখে ধরা পড়েছে। বসকে আপনি যত বোকা ভাবছেন সে আসলে অতো বোকা নাও হতে পারে। বসকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করুন আপনার ভুল গুল সুধরে দিতে।
আপনার বস আপনার মত ২০/৩০ জন লোক কে নিয়ন্ত্রন করে। আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে সে অনেক কিছুই ক্যাল্কুলেট করে নিতে পারে। মুল কথা হচ্ছে হালের আগে হাটার অভ্যাস পরিহার করুন। আপনার বস কি বলতে চায় আগে শুনুন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করুন। সে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে অবসরে তার সাথে বসে আলোচনা করুন। আপনার মতামত দিন। আপনার কাজ বসকে সহযোগিতা করা। বসের ভুল ধরা আপনার কাজ নয়। বস আপনার ভুল ধরবে। আপনি বসের ভুল ধরার জন্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। বস-ই এক সময় আপনাকে ডেকে পরামর্শ চাইবে। সহযোগিতা চাইবে। সে পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।
***৪*** বস যখন প্রতিশ্রুতি দেয় তাকে ধন্যবাদ দিন। প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হলে আপনাকে বোঝা উচিত। আপনার বসও কারো না কারো কাছে দায় বদ্ধ। এমনও হতে পারে সে আপনার কাছে লজ্জিত। তাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না। বলুন বস, “আপনি আমার জন্য চেস্টা করেছেন সফল হননি আশাকরি আগামীতে সফল হবেন”। অবশ্যই আপনার বস আপনাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার প্রতি যত্নবান হবেন। কখনোই হাল ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না।
***৫*** আপনার চোখে ভুল মানুষকে প্রোমোশন দেয়া হলে ভুলটা তো আপনারই। কারন, আপনি যোগ্য প্রাথী হয়েও নিজেকে বসের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন নি। আপনিই আপনার যোগ্যতা কে অবমূল্যায়ন করেছেন। এখানে বসকে দোষ দিয়ে লাভ কি। নিজের ভুল গুলো খুজে তা সংশোধন করে আগামীর জন্য প্রস্তুতি নিন এবং ভুল গুলো এমন জায়গায় লিখে রাখুন যাতে সব সময় আপনি সেগুলো দেখতে পান এবং তা থেকে শিক্ষা নিন।
***৬*** আপনি নিজেই পরিবেশ কে বিসক্ত করে তোলেন। অনেক রকম ভ্রান্ত ধারনা আর চাওয়া-পাওয়া নিয়ে আপনি আপনার বসকে বিরক্ত করেন। আপনার বসের অধিনে তো আপনি একা নন। সে যদি আপনার মত সবার পছন্দ কে মুল্য দিতে চান তাহলে তো প্রতিষ্ঠানের ১২ টা বাজবে। সুতরাং বসকে তার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে দিন। এবং তাকে সহযোগিতা করুন।
***৭*** একটা কলশি যদি পানিতে পরিপুরন থাকে আর তলায় সামান্য ছিদ্র থাকে, কিছু সময় পর কলশী কিন্তু খালি হয়ে যাবে। সুতরাং বসের সাথে আপনার দূরত্ব কমিয়ে ফেলুন। মনোযোগ দিয়ে কাজ করুণ। সেনসিটিভ বিসয় গুলি বসের পরামর্শ নিয়ে সমাধান করুণ। সপ্তাহে অন্তত ১ বার হলেও বসের সাহায্য নিন। সময় মত বসকে আপনার কাজের রিপোর্ট দিন।
***৮/৯*** পিপড়া থেকে শুরু করে বিশাল দেহের হাতি পর্যন্ত সবাইকে খাদ্য খোঁজার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। বিশাল দেহের অধিকারী হাতির যে পরিমান পরিশ্রম করতে হয় পিপড়ারও কিন্তু একই রকম পরিশ্রম করতে হয়।
আপনার বস আপনাকে আজীবন আদুভাই হিসাবে দেখতে চান না। তাই আপনার কাজের সংখ্যা/পরিমান প্রতি বছর পাড়তে থাকে। আপনাকে প্রেসার দেয়ে হয় আপনার উন্নতির জন্য। আপনি অযথা ভুল বুঝে নিজের ক্ষতি নিজে করছেন।
আপনার প্রতিপক্ষ থেকে আপনি সর্বদা সাবধান হোন। আপনি রেগে যান, বিরক্ত হন, বসের সাথে ঝগড়া করেন এটাই কিন্তু তারা চায়। আপনার বিতর্কিত করে তারা আনন্দ পায়, মজা পায়।
(কোন প্রশ্ন
থাকলে আমাকে জানাতে পারেন)
mehedi0001@yahoo.com
mehedi0001@yahoo.com

